সুরা কাওসার এর শানে নুযুল কি ?

"সাধারণ" বিভাগে "" এটি যুক্ত করেছেন 3 months পূর্বে


বিস্তারিত:

আপনাদের উত্তর এর আশায় থাকলাম, প্লিজ জানাবেন ?

Click on a star to rate it!

Average rating 0 / 5. Votes: 0

No votes so far! Be the first to rate this.


1 টি উত্তর বা মন্তব্য করা হয়েছে
উত্তর বা মন্তব্য করার জন্য প্রথমে আপনার বিডিহেল্পার২৪ একাউন্ট এ প্রবেশ করুন
   
  1. robinkk2 উত্তর বা মন্তব্য করেছেন

    নামকরণ :

    আরবী —————————– এ বাক্যের মধ্য থেকে ‘ আল কাওসার ’ শব্দটিকে এর নাম গন্য করা হয়েছে।

    নাযিলের সময় – কাল

    ইবনে মারদুইয়া , হযরত আবুদল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা), হযরত আবদুল্লাহ ইবনে যুবাইর (রা) ও হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (রা) থেকে বর্ণনা করেছেন যে , এটি মক্কী সূরা। কালবী ও মুকাতিল একে মক্কী বলেন । অধিকাংশ তাফসীরকারও এ মত পোষণ করেন। কিন্তু হযরত হাসান বসরী , ইকরামা , মুজাতিদ ও কাতাদাহ একে মাদানী বলেন । ইমাম সুয়ূতী তাঁর ইতকান গ্রন্থে এ বক্তব্যকেই সঠিক গণ্য করেছিন। ইমাম মুসলিমও তাঁর শারহে মুসলিম গ্রন্থে এটিকে প্রাধান্য দিয়েছে। এর কারণ হচ্ছে ইমাম আহমাদ , মুসলিম , আবু দাউদ , নাসায়ী , ইবনে আবী শাইবা , ইবনুল মুনযির , ইবন মারদুইয়া ও বাইহাকী ইত্যাদি মুহাদ্দিসগণের হযরত আনাস ইবনে মালিক (রা) থেকে বর্ণিত হাদীসটি । এ হাদীসে বলা হয়েছে : নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের মধ্যে অবস্থান করছিলেন । এ সময় তিনি তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়লেন । তারপর তিনি মুচকি হাসতে হাসতে তাঁর মাথা উঠালেন। কোন কোন রেওয়ায়াতে বলা হয়েছে , লোকেরা জিজ্ঞেস করলো , আপনি মুচকি হাসছেন কেন ? আবার কোন কোন রেওয়ায়াতে বলা হয়েছে তিনি নিজেই লোকদের বললেন :এখনি আমার ওপর একটি সূরা নাযিল হয়েছে। তারপর বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম বলে তিনি সূরা আল কাওসারটি পড়লেন । এরপর তিনি জিজ্ঞেস করেন : জানো কাওসার কি ? সাহাবীরা বললেন : আল্লাহ ও তাঁর রসূল ভালো জানেন । বললেন : সেটি একটি নহর । আমার রব আমাকে জান্নাতে সেটি দান করেছেন । ( এ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা আসছে সামনের দিকে‌র কাওসারের ব্যাখ্যা প্রসংগে ।) এ হাদীসটির ভিত্তিতে এ সূরাটিকে মাদানী বলার কারণ হচ্ছে এই যে , হযরত আনাস (রা) মক্কায় নয় বরং মদীনায় ছিলেন । এ সূরাটির মাদানী হবার প্রমাণ হচ্ছে এই যে , তিনি বলেছেন , তাঁর উপস্থিতিতেই এ সূরাটি নাযিল হয়।

    কিন্তু প্রথমত এটা হযরত আনাস (রা) থেকেই ইমাম আহমাদ ,বুখারী , মুসলিম , আবু দাউদ , তিরমিযি ও ইবনে জারীর রেওয়ায়াত করেছেন যে , জান্নাতের এ নহরটি (কাওসার) , রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে মি’রাজে দেখানো হয়েছিল। আর সবাই জানেন মি’রাজ মক্কায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল হিজরাতের আগে। দ্বিতীয়ত মি’রাজে যেখানে মহান আল্লাহ তাঁর রসূলকে কেবলমাত্র এটি দান করারই খবর দেননি বরং এটিকে তাঁকে দেখিয়ে দিয়েছিলেন সেখানে আবার তাঁকে এর সুসংবাদ দেবার জন্য মদীনা তাইয়েবায় সূরা কাওসার নাযিল করার কোন প্রয়োজন থাকতে পারে না। তৃতীয়ত যদি হযরত আনাসের উপরোল্লিখিত বর্ণনা অনুযায়ী রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে সাহাবীগণের একটি সমাবেশে সূরা কাওসার নাযিল হবার খবর দিয়ে থাকেন এবং তার অর্থ এ হয়ে থাকে যে , প্রথমবার এ সূরাটি নাযিল হলো , তাহলে হযরত আয়েশা (রা) , হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস ও হযরত আবদুল্লাহ ইবনেব যুবায়েরের মতো সতর্ক সাহাবীগণের পক্ষে কিভাবে এ সূরাটিকে মক্কী গণ্য করা সম্ভব। অন্যদিকে মুফাসসিরগণের অধিকাংশই বা কেমন করে একে মক্কী বলেন ? এ ব্যাপারটি নিয়ে চিন্ত – ভাবনা করলে হযরত আনাসের রেওয়ায়াতের মধ্যে একটি ফাঁক রয়েছে বলে পরিস্কার মনে হয়। যে মজলিসে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একথা বলেছিলেন সেখানে আগে থেকে কি কথাবার্তা চলছিল তার কোন বিস্তারিত বিবরণ তাতে নেই। সম্ভবত সে সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোন ব্যাপারে কিছু বলছিলেন। এমন সময় অহীর মাধ্যমে তাঁকে জানানো হলো , সূরা কাওসারে সংশ্লিষ্ট ব্যাপারটির ওপর আলোকপাত করা হয়েছে। আর তখন তিনি একথাটি এভাবে বলেছেন : আমার প্রতি এ সূরাটি নাযিল হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা কয়েকবার ঘটেছে। তাই মুফাসসিরগণ কোন কোন আয়াত সম্পর্কে বলেছেন , সেগুলো দু’বার নাযিল হয়েছে। এ দ্বিতীয়বার নাযিল হবার অর্থ হচ্ছে , আয়াত তো আগেই নাযিল হয়েছে কিন্তু দ্বিতীয়বার কোন সময় অহীর মাধ্যমে নবীর (সা) দৃষ্টি এ আয়াতের প্রতি আকৃষ্ট করা হয়ে থাকবে। এ ধরনের রেওয়ায়াতে কোন আয়াতের নাযিল হবার কথা উল্লেখ থাকাটা তার মক্কী বা মাদানী হবার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার জন্য যথেষ্ট নয়।

    হযরত আনাসের এ রেওয়ায়াতটি যদি সন্দেহ সৃষ্টি করার কারণ না হয় তাহলে সুরা কাওসারের সমগ্র বক্তব্যই তার মক্কা মু’আযযমায় নাযিল হবার সাক্ষ পেশ করে । এমন এক সময় নাযিল হওয়ার সাক্ষ পেশ করে যখন রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অত্যন্ত কঠিন হতাশা ব্যঞ্জক অবস্থার সম্মুখীন হয়েছিলেন।

    ঐতিহাসিক পটভূমি

    ইতিপূর্বে সূরা দুহা ও সূরা আলাম নাশরাহ/ সূরা আল ইনশিরাহ এ দেখা গেছে , নবুওয়াতের প্রাথমিক যুগে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন সবচেয়ে কঠিন সংকটের সম্মুখীন হয়েছিলেন , সমগ্র জাতি তাঁর সাথে শত্রুতা করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছিল , বাধার বিরাট পাহাড়গুলো তাঁর পথে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছিল , চতুর্দিকে প্রবল বিরোধিতা শুরু হয়ে গিয়েছিল এবং তিনি ও তাঁর মুষ্টিমেয় কয়েকজন সাথী বহুদূর পর্যন্ত কোথাও সাফল্যের কোন আলামত দেখতে পাচ্ছিলেন না। তখন তাঁকে সান্ত্বনা দেবার ও তাঁর মনে সাহস সঞ্চারের জন্য মহান আল্লাহ বহু আয়াত নাযিল করেন এর মধ্যে সূরা দুহায় তিনি বলেন :

    আরবী ————————————————————————————-

    “ আর অবশ্যি তোমার জন্য পরবর্তী যুগ ( অর্থাৎ প্রত্যেক যুগের পরের যুগ ) পূর্ববর্তী যুগের চেয়ে ভালো এবং শীঘ্রই তোমার রব তোমাকে এমনসব কিছু দেবেন যাতে তুমি খুশী হয়ে যাবে। ”

    অন্যদিকে আলাম নাশরাহে বলেন : (আরবী ————————–) “ আর আমি তোমার আওয়াজ বুলন্দ করে দিয়েছি। ” অর্থাৎ শত্রু সারা দেশে তোমার দুর্নাম ছড়িয়ে বেড়াচ্ছে কিন্তু তাদের ইহার বিরুদ্ধে আমি তোমার নাম উজ্জ্বল করার এবং তোমাকে সুখ্যাতি দান করার ব্যবস্থা করে দিয়েছি। এই সাথে আরো বলেন : (আরবী —————————–) “কাজেই , প্রকৃতপক্ষে সংকীর্ণতার সাথে প্রশস্ততাও আছে । নিশ্চিতভাবেই সংকীর্ণতার সাথে প্রশস্ততাও আছে ।” অর্থাৎ বর্তমানে কঠিন অবস্থা দেখে পেরেশান হয়ো না। শীঘ্রই এ দুঃখের দিনে শেষ হয়ে যাচ্ছে । সাফল্যের যুগ এই তো শুরু হয়ে যাচ্ছে।

আমাদের জাতীয় কবীর নাম কী?

এটি "সাধারণ" বিভাগে "" যুক্ত করেছেন

M.C.Q পূর্ণরূপ কি ?

এটি "সাধারণ" বিভাগে "" যুক্ত করেছেন

এটি "সাধারণ" বিভাগে "" যুক্ত করেছেন

এটি "সাধারণ" বিভাগে "" যুক্ত করেছেন

এটি "সাধারণ" বিভাগে "" যুক্ত করেছেন

এটি "সাধারণ" বিভাগে "" যুক্ত করেছেন

এটি "সাধারণ" বিভাগে "" যুক্ত করেছেন

এটি "সাধারণ" বিভাগে "" যুক্ত করেছেন

এটি "সাধারণ" বিভাগে "" যুক্ত করেছেন

এটি "সাধারণ" বিভাগে "" যুক্ত করেছেন

     

5,937
টি প্রশ্ন

39,256
টি উত্তর

7133
টি TAG

9,671
জন সদস্য
সমস্ত বিভাগ

বিভাগের নামঃ সাধারণ দেখুন
বিভাগের নামঃ আইকিউ দেখুন
বিভাগের নামঃ অ্যান্ড্রয়েড দেখুন
বিভাগের নামঃ আইন দেখুন
বিভাগের নামঃ আউটসোর্সিং দেখুন
বিভাগের নামঃ ক্যারিয়ার দেখুন
বিভাগের নামঃ কম্পিউটার দেখুন
বিভাগের নামঃ তথ্য-প্রযুক্তি দেখুন
বিভাগের নামঃ ইন্টারনেট দেখুন
বিভাগের নামঃ নেটওয়ার্ক দেখুন
বিভাগের নামঃ বিজ্ঞান ও প্রকৌশল দেখুন
বিভাগের নামঃ স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা দেখুন
বিভাগের নামঃ রূপচর্চা দেখুন
বিভাগের নামঃ ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস দেখুন
বিভাগের নামঃ স্বপ্নের ব্যাখ্যা দেখুন
বিভাগের নামঃ খেলা দেখুন
বিভাগের নামঃ প্রেম-ভালোবাসা দেখুন
বিভাগের নামঃ শিক্ষা+শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দেখুন
বিভাগের নামঃ খাদ্য ও পানীয় দেখুন
বিভাগের নামঃ বিনোদন ও মিডিয়া দেখুন
বিভাগের নামঃ রান্না দেখুন
বিভাগের নামঃ নিত্য ঝুট ঝামেলা দেখুন
বিভাগের নামঃ কৃষি দেখুন
বিভাগের নামঃ বাংলাদেশ দেখুন
বিভাগের নামঃ বিশ্ব দেখুন
বিভাগের নামঃ অন্যান্য দেখুন
বিডিহেল্পার২৪ বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।