আমি কিভাবে আমার শরীরের ওজন কমাবো?

"স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে "" এটি যুক্ত করেছেন 3 weeks পূর্বে


বিস্তারিত:

আমি সানন্দ সিংহ রায় বয়স-১৬। আমার দেহে মেদ জমে যাচ্ছে। আমার ওজন ৬৫ কেজি।কিছুতেই মেদ কমাতে পারছি না যদি আপনারা সঠিক উপদেশ দেন তাহলে সেগুলো প্রয়োগ করে মেদ কমাতে পারতাম। যারা উত্তর দিবেন তাদেরকে ধন্যবাদ আগে থেকে।

Click on a star to rate it!

Average rating 4 / 5. Votes: 1

No votes so far! Be the first to rate this.


3 টি উত্তর বা মন্তব্য করা হয়েছে
উত্তর বা মন্তব্য করার জন্য প্রথমে আপনার বিডিহেল্পার২৪ একাউন্ট এ প্রবেশ করুন
   
  1. tamim06 উত্তর বা মন্তব্য করেছেন

    ব্যায়াম করুন

  2. MD. Tanjil উত্তর বা মন্তব্য করেছেন

    ১. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ওজন বৃদ্ধি পায় এমন খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকা। বিশেষ করে চিনি এবং অতিরিক্ত ক্যালরিযুক্ত খাবার। যখন আপনি ওজন কমাতে চাইবেন, তখন আপনার ক্ষুধার মাত্রা নিচে নামিয়ে আনুন। আপনার শরীরে জমে থাকা চর্বি কমাতে কাজ করুন। চর্বি কমানোর অন্যতম ভালো উপায় হলো পানি পান করা। বিশেষ করে হালকা গরম পানি। বেশি করে পানি খাওয়ার ফলে আপনার কিডনি ভালো থাকবে। এটি পেট মোটা হওয়া কমাবে।

    এ পদ্ধতি অবলম্বন করলে প্রথম সপ্তাহে ১০ পাউন্ড বা তারও বেশি ওজন কমানো সম্ভব। এতে আপনার প্রত্যাশা অনুযায়ী ওজন কমবে। এর ফলে আপনার কম ক্যালরিযুক্ত খাবারে অভ্যাস তৈরি হবে। সেটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালিয়ে নিতে পারবেন। চর্বি কমানো এ পদ্ধতি সহজভাবেই আপনাকে ওজন কমাতে সাহায্য করবে। সবচেয়ে বড় কথা শর্করাজাতীয় খাবার এবং স্টেক খাওয়া কমিয়ে দিতে হবে।

    ২. খাদ্যাভ্যাসে কিছু পরিবর্তন আনুন। আপনার খাদ্যতালিকায় এমন খাবার যুক্ত করুন যাতে আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করে। আপনার খাবারের তালিকায় একটি প্রোটিনযুক্ত খাবার, একটি চর্বিযুক্ত এবং সবুজ শাকসবজি রাখুন। পুষ্টির এ উপকরণগুলো রেখে প্রতিদিন ২০ থেকে ৫০ গ্রাম রাখুন। আপনার খাবারের তালিকার প্রোটিনের উৎসগুলোও রাখুন। এগুলো হলো গরু ও মুরগির মাংস, চিংড়ি, সামুদ্রিক মাছ এবং ডিম। ওজন কমানোর সময় প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন খাওয়া উচিত না।

    উচ্চ প্রোটিন আছে এমন ৬০ শতাংশ খাবার বাদ দিলে আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করবে। রাতে ঘুমানোর আগে কম ক্যালরিযুক্ত খাবার খেতে হবে। এ পদ্ধতি অবলম্বন করে ওজন কমালেও একটি জিনিস আপনাকে মানতে হবে। প্রোটিন হলো পুষ্টির রাজা। ফুলকপি, টমেটো, পাতাকপি, লেটুস পাতা, শসা ইত্যাদি কম কার্বনযুক্ত সবজি। আপনি কম কার্বনযুক্ত উপকরণ দিয়ে প্লেট ভর্তি করে ফেলেন। এ উপকরণগুলো দিয়ে প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণ খাবার খেলেও ওজন বাড়বে না। মাংস, মাছ, সবজি, ভিটামিন এবং খনিজ খেলে আপনার শরীর ভালো থাকবে। প্রতিদিন আপনি ৫ থেকে ৬ বার খাবার খান। যখনই আপনি নিজেকে ক্ষুধার্ত মনে করবেন, তখনই খাবার গ্রহণ করুন। ওজন কমাতে চাইলেও আপনি চর্বি খেতে ভয় পাবেন না। সবচেয়ে বড় কথা হলো, প্রতিদিন আপনার খাবারের তালিকায় পরিপূর্ণ পুষ্টি উপকরণ রাখুন।৩. ব্যায়াম করতে পারেন। এটি খুবই কার্যকর। সপ্তাহে আপনাকে দুই থেকে তিনবার জিমে যেতে হবে। শুধু গিয়ে বসে থাকলে হবে না। আপনাকে ওজন কমানোর জন্য উপযুক্ত ব্যায়ামগুলোও করতে হবে। যদি জিমে নতুন যাওয়া শুরু করেন তাহলে প্রথম দিনেই কষ্টকর ব্যায়াম করা উচিত নয়। এতে উল্টো ফল হতে পারে। তাই ব্যায়াম করার আগে প্রশিক্ষকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন। তাহলে আপনি যার জন্য ব্যায়াম করবেন সেই ফলটা পাবেন।

  3. Imran1 উত্তর বা মন্তব্য করেছেন

    আপনি খাবার কম খান একটু করে কাজ করে ঘাম ঝরান ঠিক হয়ে যাবে

     

5,599
টি প্রশ্ন

38,007
টি উত্তর

6667
টি TAG

9,460
জন সদস্য
সমস্ত বিভাগ

বিভাগের নামঃ সাধারণ দেখুন
বিভাগের নামঃ আইকিউ দেখুন
বিভাগের নামঃ অ্যান্ড্রয়েড দেখুন
বিভাগের নামঃ আইন দেখুন
বিভাগের নামঃ আউটসোর্সিং দেখুন
বিভাগের নামঃ ক্যারিয়ার দেখুন
বিভাগের নামঃ কম্পিউটার দেখুন
বিভাগের নামঃ তথ্য-প্রযুক্তি দেখুন
বিভাগের নামঃ ইন্টারনেট দেখুন
বিভাগের নামঃ নেটওয়ার্ক দেখুন
বিভাগের নামঃ বিজ্ঞান ও প্রকৌশল দেখুন
বিভাগের নামঃ স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা দেখুন
বিভাগের নামঃ রূপচর্চা দেখুন
বিভাগের নামঃ ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস দেখুন
বিভাগের নামঃ স্বপ্নের ব্যাখ্যা দেখুন
বিভাগের নামঃ খেলা দেখুন
বিভাগের নামঃ প্রেম-ভালোবাসা দেখুন
বিভাগের নামঃ শিক্ষা+শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দেখুন
বিভাগের নামঃ খাদ্য ও পানীয় দেখুন
বিভাগের নামঃ বিনোদন ও মিডিয়া দেখুন
বিভাগের নামঃ রান্না দেখুন
বিভাগের নামঃ নিত্য ঝুট ঝামেলা দেখুন
বিভাগের নামঃ কৃষি দেখুন
বিভাগের নামঃ বাংলাদেশ দেখুন
বিভাগের নামঃ বিশ্ব দেখুন
বিভাগের নামঃ অন্যান্য দেখুন
বিডিহেল্পার২৪ বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।