যে কোন সমস্যায় প্রশ্ন করে সমাধান নিন এবং অন্যের প্রশ্নের উত্তর দিয়ে উপার্জন করুন BDHelper24.Com থেকে।

পানি কিভাবে সৃষ্টি হয়েছিল! মহাবিশ্বে এত পানি কি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সৃষ্টি হলো?

পানি কিভাবে সৃষ্টি হয়? মহাবিশ্বে এত পানি কি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সৃষ্টি হলো?

⌛ 1 টি উত্তর:

সৌরজগতের বেশিরভাগ গ্রহের ক্ষেত্রেই পরিমণ্ডলের বাইরে জলের অস্তিত্ব রয়েছে। উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা যায় বৃহস্পতি কিংবা শনির কথা। বৃহস্পতির চাঁদ ইউরোপা কিংবা শনির এনসেলাডাসে পানি থাকলেও গ্রহ দু’টিতে এর কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। কিন্তু পৃথিবীর ক্ষেত্রে ঘটে গেছে উল্টো। চাঁদ শুষ্ক হলেও পৃথিবী জলাকীর্ণ। এর উৎস নিয়ে প্রশ্ন জাগাটাই স্বাভাবিক।

পৃথিবীর বুকে পানির উৎসের রহস্য সমাধানে বিজ্ঞানীরা দু’টো ধারণা খুঁজে পাচ্ছেন। প্রথমত, উত্তপ্ত পৃথিবী যখন শীতল হতে শুরু করে, তখন এখানকার পাথর আর ধূলোকণাই ভূপৃষ্ঠের সৃষ্টি করে। আর এসবেই আবদ্ধ হয়ে যায় সৌরজগতের জলকণাগুলো। মহাকর্ষীয় বলের প্রভাবে জন্ম হয়েছে সমুদ্র-মহাসমুদ্রের।

দ্বিতীয় ধারণাটি বলছে, সৃষ্টির আদিলগ্নে পৃথিবীর বুকে গ্রহাণু ও ধুমকেতুর আছড়ে পড়া থেকেই মূলত সাগর-মহাসগারের সৃষ্টি।

বিজ্ঞানীরা প্রমাণ পেয়েছেন, শুক্র ও মঙ্গলও প্রথমযুগে সিক্ত ছিলো। এ তথ্য প্রথম ধারণাকে শক্ত করলেও পৃথিবীর বুকে পানি জমার কারণ হিসেবে গ্রহাণু ও ধুমকেতুর আছড়ে পড়া তত্ত্বকেই বেশি যুক্তিযুক্ত মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।

পানি মূলত দুই প্রকার। সাধারণ পানি ও ভারী পানি। সাধারণ পানি হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের রাসায়নিক বিক্রিয়ায় সৃষ্টি। আর ভারী পানির সৃষ্টি হয় হাইড্রোজনের আইসোটপ ডিউটেরিয়ামের সঙ্গে অক্সিজেনের বিক্রিয়ায়। ডিউটেরিয়ামের নিউক্লিয়াসে একটি নিউট্রন থাকে, যা হাইড্রোজেনের নিউক্লিয়াসে থাকে না।

ডিউটেরিয়াম হাইড্রোজেনের তূলনায় ভারী হওয়ায় এর থেকে সৃষ্ট পানি সাধারণ পানির মতো দ্রুত বাষ্পায়িত হতে পারে না। ফলে মহাশূন্যে সাধারণ পানির চেয়ে ভারী পানির অস্তিত্ব থাকা বেশি যুক্তিযুক্ত। এবং মহাকর্ষীয় বলের প্রভাবে এই পানি পৃথিবীতে জমা পড়াও খুব স্বাভাবিক।

বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে জানতে পেরেছেন, পৃথিবীর সাগর-মহাসাগরগুলোয় ডিউটেরিয়াম ও হাইড্রোজেনের অনুপাত প্রতি দশ লাখে দেড়শ। এর থেকে পানির উৎস প্রশ্নে গ্রহাণু ও ধূমকেতুর আছড়ে পড়াই বেশি যৌক্তিক বলে মনে করছেন তারা। তাদের মতে, এসব গ্রহাণু ও ধূমকেতু ছুটে আসার সময় মহাবিশ্বের ভারীপানিগুলোকে সঙ্গে করে নিয়ে আসে। এসব পানি পৃথিবীর আকর্ষণের কারণে আর বাইরে যেতে পারেনি।

তবে এরপরও পৃথিবীর বুকে জলের অস্তিত্ব প্রশ্নে রহস্যের সমাধান হয়ে যাচ্ছে না। আরও অনেক প্রশ্ন রয়ে যাচ্ছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এ রহস্যের সমাধানে আরও অনেক গবেষণা এখনও বাকি।

যে কোন Mobile Number এর তথ্য জানুন অথবা আপনার জানা নাম্বার গুলোর তথ্য জমা দিয়ে ফ্রি উপার্জন করুন BDTracer.Com থেকে। এছাড়া একাউন্ট করলেই পাবেন ৫০ টাকা এবং প্রতি রেফারে পাবেন ১০ টাকা করে। (বিস্তারিত)

"
বিজ্ঞান ও প্রকৌশল" বিভাগে "" প্রশ্নটি যুক্ত করেছেন 4 weeks পূর্বে

  1. BD Helper উত্তর দিয়েছেন

    সৌরজগতের বেশিরভাগ গ্রহের ক্ষেত্রেই পরিমণ্ডলের বাইরে জলের অস্তিত্ব রয়েছে। উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা যায় বৃহস্পতি কিংবা শনির কথা। বৃহস্পতির চাঁদ ইউরোপা কিংবা শনির এনসেলাডাসে পানি থাকলেও গ্রহ দু’টিতে এর কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। কিন্তু পৃথিবীর ক্ষেত্রে ঘটে গেছে উল্টো। চাঁদ শুষ্ক হলেও পৃথিবী জলাকীর্ণ। এর উৎস নিয়ে প্রশ্ন জাগাটাই স্বাভাবিক।

    পৃথিবীর বুকে পানির উৎসের রহস্য সমাধানে বিজ্ঞানীরা দু’টো ধারণা খুঁজে পাচ্ছেন। প্রথমত, উত্তপ্ত পৃথিবী যখন শীতল হতে শুরু করে, তখন এখানকার পাথর আর ধূলোকণাই ভূপৃষ্ঠের সৃষ্টি করে। আর এসবেই আবদ্ধ হয়ে যায় সৌরজগতের জলকণাগুলো। মহাকর্ষীয় বলের প্রভাবে জন্ম হয়েছে সমুদ্র-মহাসমুদ্রের।

    দ্বিতীয় ধারণাটি বলছে, সৃষ্টির আদিলগ্নে পৃথিবীর বুকে গ্রহাণু ও ধুমকেতুর আছড়ে পড়া থেকেই মূলত সাগর-মহাসগারের সৃষ্টি।

    বিজ্ঞানীরা প্রমাণ পেয়েছেন, শুক্র ও মঙ্গলও প্রথমযুগে সিক্ত ছিলো। এ তথ্য প্রথম ধারণাকে শক্ত করলেও পৃথিবীর বুকে পানি জমার কারণ হিসেবে গ্রহাণু ও ধুমকেতুর আছড়ে পড়া তত্ত্বকেই বেশি যুক্তিযুক্ত মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।

    পানি মূলত দুই প্রকার। সাধারণ পানি ও ভারী পানি। সাধারণ পানি হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের রাসায়নিক বিক্রিয়ায় সৃষ্টি। আর ভারী পানির সৃষ্টি হয় হাইড্রোজনের আইসোটপ ডিউটেরিয়ামের সঙ্গে অক্সিজেনের বিক্রিয়ায়। ডিউটেরিয়ামের নিউক্লিয়াসে একটি নিউট্রন থাকে, যা হাইড্রোজেনের নিউক্লিয়াসে থাকে না।

    ডিউটেরিয়াম হাইড্রোজেনের তূলনায় ভারী হওয়ায় এর থেকে সৃষ্ট পানি সাধারণ পানির মতো দ্রুত বাষ্পায়িত হতে পারে না। ফলে মহাশূন্যে সাধারণ পানির চেয়ে ভারী পানির অস্তিত্ব থাকা বেশি যুক্তিযুক্ত। এবং মহাকর্ষীয় বলের প্রভাবে এই পানি পৃথিবীতে জমা পড়াও খুব স্বাভাবিক।

    বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে জানতে পেরেছেন, পৃথিবীর সাগর-মহাসাগরগুলোয় ডিউটেরিয়াম ও হাইড্রোজেনের অনুপাত প্রতি দশ লাখে দেড়শ। এর থেকে পানির উৎস প্রশ্নে গ্রহাণু ও ধূমকেতুর আছড়ে পড়াই বেশি যৌক্তিক বলে মনে করছেন তারা। তাদের মতে, এসব গ্রহাণু ও ধূমকেতু ছুটে আসার সময় মহাবিশ্বের ভারীপানিগুলোকে সঙ্গে করে নিয়ে আসে। এসব পানি পৃথিবীর আকর্ষণের কারণে আর বাইরে যেতে পারেনি।

    তবে এরপরও পৃথিবীর বুকে জলের অস্তিত্ব প্রশ্নে রহস্যের সমাধান হয়ে যাচ্ছে না। আরও অনেক প্রশ্ন রয়ে যাচ্ছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এ রহস্যের সমাধানে আরও অনেক গবেষণা এখনও বাকি।

উত্তর বা মন্তব্য করার জন্য প্রথমে আপনার বিডিহেল্পার২৪ একাউন্ট এ প্রবেশ করুন
   
সমস্ত বিভাগ

বিভাগের নামঃ সাধারণ দেখুন
বিভাগের নামঃ আইকিউ দেখুন
বিভাগের নামঃ অ্যান্ড্রয়েড দেখুন
বিভাগের নামঃ আইন দেখুন
বিভাগের নামঃ আউটসোর্সিং দেখুন
বিভাগের নামঃ ক্যারিয়ার দেখুন
বিভাগের নামঃ কম্পিউটার দেখুন
বিভাগের নামঃ তথ্য-প্রযুক্তি দেখুন
বিভাগের নামঃ ইন্টারনেট দেখুন
বিভাগের নামঃ নেটওয়ার্ক দেখুন
বিভাগের নামঃ বিজ্ঞান ও প্রকৌশল দেখুন
বিভাগের নামঃ স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা দেখুন
বিভাগের নামঃ রূপচর্চা দেখুন
বিভাগের নামঃ ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস দেখুন
বিভাগের নামঃ স্বপ্নের ব্যাখ্যা দেখুন
বিভাগের নামঃ খেলা দেখুন
বিভাগের নামঃ প্রেম-ভালোবাসা দেখুন
বিভাগের নামঃ শিক্ষা+শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দেখুন
বিভাগের নামঃ খাদ্য ও পানীয় দেখুন
বিভাগের নামঃ বিনোদন ও মিডিয়া দেখুন
বিভাগের নামঃ রান্না দেখুন
বিভাগের নামঃ নিত্য ঝুট ঝামেলা দেখুন
বিভাগের নামঃ কৃষি দেখুন
বিভাগের নামঃ বাংলাদেশ দেখুন
বিভাগের নামঃ বিশ্ব দেখুন
বিভাগের নামঃ অন্যান্য দেখুন
বিভাগের নামঃ HTML দেখুন
বিভাগের নামঃ javaScript দেখুন
বিভাগের নামঃ PHP দেখুন
বিভাগের নামঃ Programming দেখুন
বিভাগের নামঃ Wordpress দেখুন