যে কোন সমস্যায় প্রশ্ন করে সমাধান নিন এবং অন্যের প্রশ্নের উত্তর দিয়ে উপার্জন করুন BDHelper24.Com থেকে।

দিনের বেলায় সূর্যের আলোর প্রচন্ড তাপ আমরা অনুভব করি কিন্তু চাঁদের আলো এতো ঠান্ডা ও স্নিগ্ধ কেনো?

দিনের বেলায় সূর্যের আলোর প্রচন্ড তাপ আমরা অনুভব করি কিন্তু চাঁদের আলো এতো ঠান্ডা ও স্নিগ্ধ কেনো? সূর্যের বিকিরিত হোক, আর চাঁদের প্রতিফলিতই হোক, আলো তো শূণ্য থেকেই আসছে। তাহলে কেনো এমন হয়?

⌛ 1 টি উত্তর:

প্রথমত, আলো একটি তাড়িৎচুম্বক তরঙ্গ এবং এর ইনফ্রারেড অংশ তাপরুপে আমরা অনুভব করি। এখন, সূর্য হতে নির্গত আলো ও তাপ আমাদের নিকট পৌছাঁনোর সময় তা সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যবর্তী কোন স্হানে বাঁধা পায় না। সরাসরি আসে। যদিও শূণ্য হতে আলো ও তাপ পৃথিবী পৃষ্ঠে পৌঁছানোর সময় বায়ুমন্ডলের গ্যাসীয় কণা দ্বারা শোষিত ও বিকিরিত হয়। এতে করে শূণ্যে থাকা নভোচারী সূর্যের তাপ যে পরিমাণ অনুভব করবেন, পৃথিবীপৃষ্ঠে থাকা মানুষ তেমনটা অনুভব করবেন না। তবে তফাৎটাও আহামরি একটা পার্থক্য হবে না। তাই সূর্যের প্রখর আলো ও তাপ আমরা অনুভব করি।

কিন্তু চাঁদ থেকে আমরা যে আলো পাই, তা কিন্তু সরাসরি সূর্যের আলো ও তাপের মতো নয়। বরং, সূর্য হতে আলো চন্দ্রপৃষ্ঠে পতিত হয়, শোষিত হয় এবং এরপর খু্ব কম আলো প্রতিফলিত হয়। চাঁদের পৃষ্ঠের অ্যালবিডোর মান (কোন পৃষ্ঠে আপতিত ও প্রতিফলিত আলোর অনুপাত) ০.১২। অর্থ্যাৎ, প্রতিমুহূর্তে চন্দ্রপৃষ্ঠে আপতিত আলোর মাত্র ১২% অংশ প্রতিফলিত হয়।

যেহেতু, আলোর ইনফ্রারেড অংশটুকু তাপরুপে অনুভূত হয়, তাই চাঁদের আলো বা তা হতে আগত শক্তিতে উত্তাপ কতোটা অনুভূত হবে তা নির্ভর করছে, তা থেকে কি পরিমাণ ইনফ্রারেড আমাদের নিকট পৌঁছাচ্ছে।

সূর্য হতে চন্দ্রপৃষ্ঠে পৌঁছানো ইনফ্রারেডের প্রায় সবটাই শোষিত হয় এবং এরপর তার পৃষ্ঠ তাপমাত্রা অনুযায়ী তা ইনফ্রারেড বিকীর্ণ করে। কিন্তু, সূর্য হতে আমাদের নিকট আগত তাপের তুলনায় এ বিকীর্ণ তাপের মাত্রা থাকে খুবই কম। কেননা, সূর্যের ক্ষেত্রে এ তাপ সরাসরি আমাদের নিকট আসছে, যা চাঁদের ক্ষেত্রে না।

এরপর, সারাদিন সূর্য হতে পৃথিবীপৃষ্ঠে যে তাপ পৌঁছায়, ভূ-পৃষ্ঠ ও বায়ুমন্ডল তার অনেকাংশই শোষণ করে রাখে। রাতের বেলা ভূ-পৃষ্ঠ সে তাপ বিকীর্ণ করে ঠান্ডা হতে থাকে। রাতের বেলা আমরা ভূ-পৃষ্ঠসংলগ্ন অংশে থাকায়, পৃথিবী কর্তৃক বিকিরিত তাপের তুলনায় চাঁদ হতে আগত তাপ খুবই খুবই কম। কারণ, একদিকে ভূ-পৃষ্ঠের বিকিরিত তাপ+ অপরদিকে বায়ুমন্ডলের ধরে রাখা তাপ= উভয়ে মিলে আমরা রাতের বেলাতেও কম তীব্রতার হলেও একটি তাপীয় পরিবেশের ভেতরই ডুবে থাকি। আর, এ তাপের তুলনায় চাঁদ হতে আগত ইনফ্রারেডের মাত্রা কিছুই নয়। তাই চাঁদের আলো শীতল অনুভূত হয়।

উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি ১০০° সে. তাপমাত্রায় পানির ভেতর হাত অনেক্ষণ ডুবিয়ে রাখার পর ১০ °সে. তাপমাত্রার পানিতে হাত ডুবান, তবে তাকে শীতল মনে হবে।

যে কোন Mobile Number এর তথ্য জানুন অথবা আপনার জানা নাম্বার গুলোর তথ্য জমা দিয়ে ফ্রি উপার্জন করুন BDTracer.Com থেকে। এছাড়া একাউন্ট করলেই পাবেন ৫০ টাকা এবং প্রতি রেফারে পাবেন ১০ টাকা করে। (বিস্তারিত)

"
বিজ্ঞান ও প্রকৌশল" বিভাগে "" প্রশ্নটি যুক্ত করেছেন 4 weeks পূর্বে

  1. BD Helper উত্তর দিয়েছেন

    প্রথমত, আলো একটি তাড়িৎচুম্বক তরঙ্গ এবং এর ইনফ্রারেড অংশ তাপরুপে আমরা অনুভব করি। এখন, সূর্য হতে নির্গত আলো ও তাপ আমাদের নিকট পৌছাঁনোর সময় তা সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যবর্তী কোন স্হানে বাঁধা পায় না। সরাসরি আসে। যদিও শূণ্য হতে আলো ও তাপ পৃথিবী পৃষ্ঠে পৌঁছানোর সময় বায়ুমন্ডলের গ্যাসীয় কণা দ্বারা শোষিত ও বিকিরিত হয়। এতে করে শূণ্যে থাকা নভোচারী সূর্যের তাপ যে পরিমাণ অনুভব করবেন, পৃথিবীপৃষ্ঠে থাকা মানুষ তেমনটা অনুভব করবেন না। তবে তফাৎটাও আহামরি একটা পার্থক্য হবে না। তাই সূর্যের প্রখর আলো ও তাপ আমরা অনুভব করি।

    কিন্তু চাঁদ থেকে আমরা যে আলো পাই, তা কিন্তু সরাসরি সূর্যের আলো ও তাপের মতো নয়। বরং, সূর্য হতে আলো চন্দ্রপৃষ্ঠে পতিত হয়, শোষিত হয় এবং এরপর খু্ব কম আলো প্রতিফলিত হয়। চাঁদের পৃষ্ঠের অ্যালবিডোর মান (কোন পৃষ্ঠে আপতিত ও প্রতিফলিত আলোর অনুপাত) ০.১২। অর্থ্যাৎ, প্রতিমুহূর্তে চন্দ্রপৃষ্ঠে আপতিত আলোর মাত্র ১২% অংশ প্রতিফলিত হয়।

    যেহেতু, আলোর ইনফ্রারেড অংশটুকু তাপরুপে অনুভূত হয়, তাই চাঁদের আলো বা তা হতে আগত শক্তিতে উত্তাপ কতোটা অনুভূত হবে তা নির্ভর করছে, তা থেকে কি পরিমাণ ইনফ্রারেড আমাদের নিকট পৌঁছাচ্ছে।

    সূর্য হতে চন্দ্রপৃষ্ঠে পৌঁছানো ইনফ্রারেডের প্রায় সবটাই শোষিত হয় এবং এরপর তার পৃষ্ঠ তাপমাত্রা অনুযায়ী তা ইনফ্রারেড বিকীর্ণ করে। কিন্তু, সূর্য হতে আমাদের নিকট আগত তাপের তুলনায় এ বিকীর্ণ তাপের মাত্রা থাকে খুবই কম। কেননা, সূর্যের ক্ষেত্রে এ তাপ সরাসরি আমাদের নিকট আসছে, যা চাঁদের ক্ষেত্রে না।

    এরপর, সারাদিন সূর্য হতে পৃথিবীপৃষ্ঠে যে তাপ পৌঁছায়, ভূ-পৃষ্ঠ ও বায়ুমন্ডল তার অনেকাংশই শোষণ করে রাখে। রাতের বেলা ভূ-পৃষ্ঠ সে তাপ বিকীর্ণ করে ঠান্ডা হতে থাকে। রাতের বেলা আমরা ভূ-পৃষ্ঠসংলগ্ন অংশে থাকায়, পৃথিবী কর্তৃক বিকিরিত তাপের তুলনায় চাঁদ হতে আগত তাপ খুবই খুবই কম। কারণ, একদিকে ভূ-পৃষ্ঠের বিকিরিত তাপ+ অপরদিকে বায়ুমন্ডলের ধরে রাখা তাপ= উভয়ে মিলে আমরা রাতের বেলাতেও কম তীব্রতার হলেও একটি তাপীয় পরিবেশের ভেতরই ডুবে থাকি। আর, এ তাপের তুলনায় চাঁদ হতে আগত ইনফ্রারেডের মাত্রা কিছুই নয়। তাই চাঁদের আলো শীতল অনুভূত হয়।

    উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি ১০০° সে. তাপমাত্রায় পানির ভেতর হাত অনেক্ষণ ডুবিয়ে রাখার পর ১০ °সে. তাপমাত্রার পানিতে হাত ডুবান, তবে তাকে শীতল মনে হবে।

উত্তর বা মন্তব্য করার জন্য প্রথমে আপনার বিডিহেল্পার২৪ একাউন্ট এ প্রবেশ করুন
   
সমস্ত বিভাগ

বিভাগের নামঃ সাধারণ দেখুন
বিভাগের নামঃ আইকিউ দেখুন
বিভাগের নামঃ অ্যান্ড্রয়েড দেখুন
বিভাগের নামঃ আইন দেখুন
বিভাগের নামঃ আউটসোর্সিং দেখুন
বিভাগের নামঃ ক্যারিয়ার দেখুন
বিভাগের নামঃ কম্পিউটার দেখুন
বিভাগের নামঃ তথ্য-প্রযুক্তি দেখুন
বিভাগের নামঃ ইন্টারনেট দেখুন
বিভাগের নামঃ নেটওয়ার্ক দেখুন
বিভাগের নামঃ বিজ্ঞান ও প্রকৌশল দেখুন
বিভাগের নামঃ স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা দেখুন
বিভাগের নামঃ রূপচর্চা দেখুন
বিভাগের নামঃ ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস দেখুন
বিভাগের নামঃ স্বপ্নের ব্যাখ্যা দেখুন
বিভাগের নামঃ খেলা দেখুন
বিভাগের নামঃ প্রেম-ভালোবাসা দেখুন
বিভাগের নামঃ শিক্ষা+শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দেখুন
বিভাগের নামঃ খাদ্য ও পানীয় দেখুন
বিভাগের নামঃ বিনোদন ও মিডিয়া দেখুন
বিভাগের নামঃ রান্না দেখুন
বিভাগের নামঃ নিত্য ঝুট ঝামেলা দেখুন
বিভাগের নামঃ কৃষি দেখুন
বিভাগের নামঃ বাংলাদেশ দেখুন
বিভাগের নামঃ বিশ্ব দেখুন
বিভাগের নামঃ অন্যান্য দেখুন
বিভাগের নামঃ HTML দেখুন
বিভাগের নামঃ javaScript দেখুন
বিভাগের নামঃ PHP দেখুন
বিভাগের নামঃ Programming দেখুন
বিভাগের নামঃ Wordpress দেখুন