লিপইয়ার কি?

"সাধারণ" বিভাগে "" এটি যুক্ত করেছেন 2 years পূর্বে


বিস্তারিত:

লিপইয়ার কেন হয়?

Click on a star to rate it!

Average rating 0 / 5. Votes: 0

No votes so far! Be the first to rate this.


7 টি উত্তর বা মন্তব্য করা হয়েছে
উত্তর বা মন্তব্য করার জন্য প্রথমে আপনার বিডিহেল্পার২৪ একাউন্ট এ প্রবেশ করুন
   
  1. toriq331 উত্তর বা মন্তব্য করেছেন

    bujo na

  2. Rahman উত্তর বা মন্তব্য করেছেন

    সব উত্তর দাতাকে ধন্যবাদ

  3. Mehrazuddin উত্তর বা মন্তব্য করেছেন

    ফেব্রুয়ারী মাস সাধারণত ২৮ দিনে হয়। কিন্তু লীপইয়ারে ফেব্রুয়ারী মাস ২৯ দিনে হয়। প্রতি চার বছর পর পর লীপইয়ার হয়।যেই সালগুলো চার দ্বারা বিভাজ্য, সেই সালগুলোই লীপইয়ার সাল।

    যেমন: ২০২০ চার দ্বারা বিভাজ্য, তাই ২০২০ সাল লীপইয়ার সাল।

    আবার ২০১৯ বা ২০১৮ চার দ্বারা বিভাজ্য নয়, তাই ২০১৯ বা ২০১৮ সাল লীপইয়ার সাল নয়।

  4. Eleas উত্তর বা মন্তব্য করেছেন

    আমাদের পৃথিবীতে আনুমানিক ৩৬৫ দিন ৬ ঘণ্টায় নিজ কক্ষপথে একবার ঘুরে আসে। তাই আমরা ৩৬৫ দিনে ১ বছর ধরি। এই বাদ দেওয়া ৬ ঘণ্টা আমরা ৪ বছরে (৬×৪)=২৪ ঘণ্টা হয়ে যায় যা পুরোপুরি ১ দিন। তাই প্রতি ৪ বছরে ১ দিন ফেব্রুয়ারি মাসের ২৯ তারিখ হিসেবে যোগ করা হয়। এই বছরটাই লিপইয়ার।

  5. Asif mouinuddin উত্তর বা মন্তব্য করেছেন

    অধিবর্ষ বা লিপ ইয়ার হচ্ছে একটি বিশেষ বছর, যাতে সাধারণ বছরের তুলনায় একটি দিন (বা চান্দ্রবছরের ক্ষেত্রে একটি মাস) জোতির্বৈজ্ঞানিক বছরের সাথে সামাঞ্জস্য রাখার জন্য বেশি থাকে।[১] জোতির্বৈজ্ঞানিক বছর বা পৃথিবী যে সময়ে সূর্যের চারপাশে একবার ঘুরে আসে তার উপরই ঋতুর পরিবর্তন ও অন্যান্য মহাজাগতিক ঘটনাবলীর পুনরাবৃত্তি নির্ভর করে। এর সময়কাল হচ্ছে প্রায় ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড, অথচ প্রচলিত গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জিমতে বছর হিসাব করা হয় ৩৬৫ দিনে। এভাবে প্রতিবছর প্রায় ছয় ঘণ্টা সময় গোনার বাইরে থেকে যায় ও চার বছরে সেটা প্রায় এক দিনের সমান হয়। এই ঘাটতি পুষিয়ে নেয়ার জন্য প্রতি চার বছর পরপর ৩৬৬ দিনে বছর হিসাব করা হয়। গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জিমতে, প্রতি চার বছরে একবার ফেব্রুয়ারি মাসে ও বাংলা সনমতে ফাল্গুন মাসে এই অতিরিক্ত ১ দিন যোগ হয়। তাই অধিবর্ষে ফেব্রুয়ারি ও ফাল্গুন মাস হয় যথাক্রমে ২৯ ও ৩১ দিনে। যেমন: ২০১২ একটি অধিবর্ষ ও এর ফেব্রুয়ারি মাস হয়েছে ২৯ দিনে

  6. Azim106347 উত্তর বা মন্তব্য করেছেন

    আমাদের পৃথিবী আনুমানিক ৩৬৫ দিন ৬ ঘণ্টায় নিজ কক্ষপথ একবার ঘুরে আসে। কিন্তু আমরা ৩৬৫ দিনে ১ বছর ধরি। এই বাদ দেওয়া ৬ ঘণ্টা ৪ বছরে (৬×৪)=২৪ ঘণ্টা হয়ে যায় যা পুরোপুরি ১ দিন। তাই ৪র্থ বছরে ১ দিন ফেব্রুয়ারি মাসের ২৯ তারিখ হিসেবে যোগ করা হয়। এই বছরটাই লিপইয়ার।

  7. manon উত্তর বা মন্তব্য করেছেন

    ফেব্রুয়ারী মাস সাধারণত ২৮ দিনে হয়। কিন্তু লীপইয়ারে ফেব্রুয়ারী মাস ২৯ দিনে হয়। প্রতি চার বছর পর পর লীপইয়ার হয়।যেই সালগুলো চার দ্বারা বিভাজ্য, সেই সালগুলোই লীপইয়ার সাল।

    যেমন: ২০২০ চার দ্বারা বিভাজ্য, তাই ২০২০ সাল লীপইয়ার সাল।

    আবার ২০১৯ বা ২০১৮ চার দ্বারা বিভাজ্য নয়, তাই ২০১৯ বা ২০১৮ সাল লীপইয়ার সাল নয়।

আমাদের জাতীয় কবীর নাম কী?

এটি "সাধারণ" বিভাগে "" যুক্ত করেছেন

M.C.Q পূর্ণরূপ কি ?

এটি "সাধারণ" বিভাগে "" যুক্ত করেছেন

এটি "সাধারণ" বিভাগে "" যুক্ত করেছেন

এটি "সাধারণ" বিভাগে "" যুক্ত করেছেন

এটি "সাধারণ" বিভাগে "" যুক্ত করেছেন

এটি "সাধারণ" বিভাগে "" যুক্ত করেছেন

এটি "সাধারণ" বিভাগে "" যুক্ত করেছেন

এটি "সাধারণ" বিভাগে "" যুক্ত করেছেন

এটি "সাধারণ" বিভাগে "" যুক্ত করেছেন

এটি "সাধারণ" বিভাগে "" যুক্ত করেছেন

     

5,937
টি প্রশ্ন

39,270
টি উত্তর

7134
টি TAG

9,673
জন সদস্য
সমস্ত বিভাগ

বিভাগের নামঃ সাধারণ দেখুন
বিভাগের নামঃ আইকিউ দেখুন
বিভাগের নামঃ অ্যান্ড্রয়েড দেখুন
বিভাগের নামঃ আইন দেখুন
বিভাগের নামঃ আউটসোর্সিং দেখুন
বিভাগের নামঃ ক্যারিয়ার দেখুন
বিভাগের নামঃ কম্পিউটার দেখুন
বিভাগের নামঃ তথ্য-প্রযুক্তি দেখুন
বিভাগের নামঃ ইন্টারনেট দেখুন
বিভাগের নামঃ নেটওয়ার্ক দেখুন
বিভাগের নামঃ বিজ্ঞান ও প্রকৌশল দেখুন
বিভাগের নামঃ স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা দেখুন
বিভাগের নামঃ রূপচর্চা দেখুন
বিভাগের নামঃ ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস দেখুন
বিভাগের নামঃ স্বপ্নের ব্যাখ্যা দেখুন
বিভাগের নামঃ খেলা দেখুন
বিভাগের নামঃ প্রেম-ভালোবাসা দেখুন
বিভাগের নামঃ শিক্ষা+শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দেখুন
বিভাগের নামঃ খাদ্য ও পানীয় দেখুন
বিভাগের নামঃ বিনোদন ও মিডিয়া দেখুন
বিভাগের নামঃ রান্না দেখুন
বিভাগের নামঃ নিত্য ঝুট ঝামেলা দেখুন
বিভাগের নামঃ কৃষি দেখুন
বিভাগের নামঃ বাংলাদেশ দেখুন
বিভাগের নামঃ বিশ্ব দেখুন
বিভাগের নামঃ অন্যান্য দেখুন
বিডিহেল্পার২৪ বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।